তথ্যপ্রযুক্তিকে গুরুত্ব দিয়ে দেশেই ডিজিটাল ডিভাইস তৈরি করে বিদেশে রপ্তানি করছে বাংলাদেশ। স্ব-প্রণোদিত হয়ে নিজেদেরই উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য ‘স্টার্টআপ বাংলাদেশ’ নামে কোম্পানি করে অর্থের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। মানব সম্পদ গড়ে তুলতে আইসিটি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা ছাড়াও ২৮টি হাইটেক ও ১২টি সফটওয়্যার পার্ক স্থাপন করা হয়েছে। কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষায় আর্থিক সহায়তা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) একাদশ জাতীয় সংসদের ৬ষ্ঠ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ সম্পর্কে আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাব ও সমাপনী বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শেখ হাসিনা বেলেন,
বাংলাদেশে আমরা কেবল বঙ্গবন্ধু -১ স্যাটেলাইটই উৎক্ষেপন করিনি, ইতিমধ্যেই ৩ হাজার ইউনিয়নে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ দিয়েছি। ২ হাজার ২০৪টি ইউনিয়নে ওয়াইফাই সংযোগ দিয়েছি। এখন ইউনিয়নে বসে মানুষ আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে অর্থ উপার্জনে সক্ষম।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে বিনিয়োগের আদর্শ স্থান। এটা আমিই বলবো না গুগলে গেলেই বাংলাদেশের অবস্থান সম্পর্কে জানা যাবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এখন কর্মসংস্থানের নতুন নতুন ক্ষেত্র তৈরি করছি। তারপরও যারা এখন বিপুল অর্থ খরচ করে বিদেশে যান, তাদের ভাতা দিয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। কিন্তু অনেকেই প্রশিক্ষণের ভাতা নিয়েও প্রশিক্ষণ ঠিক মতো নেন না। এটা দুঃখজনক।
তিনি বলেন, প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণীর এক কোটি ৪০ লাখ শিক্ষার্থীর মায়ের নামে মোবাইলে উপবৃত্তির টাকা পাঠাচ্ছি। বাংলাদেশ থেকে এখন দক্ষ জনশক্তি নিচ্ছে জাতিসংঘ।